বরিশাল ক্রাইম নিউজ ডট কমদুর্ধর্ষ নারী গোয়েন্দার মারাত্মক অভিযান - বরিশাল ক্রাইম নিউজ ডট কম
বৃহস্পতিবার, ২১ জুন, ২০১৮, ৭ আষাঢ়, ১৪২৫, ৮ শাওয়াল, ১৪৩৯, সকাল ১০:৫৫

প্রকাশিতঃ মার্চ ১১, ২০১৮ ৩:১৩ অপরাহ্ণ
A- A A+ Print

দুর্ধর্ষ নারী গোয়েন্দার মারাত্মক অভিযান

দুর্ধর্ষ নারী গোয়েন্দাদের মারাত্মক সব অভিযানের কথা অজানা নেই কারও। আসল পরিচয় গোপন করে তথ্য সংগ্রহের এই কাজ তাদের নেশা ও পেশা দুটোই। প্রতি পদে পদে রয়েছে জীবননাশের ঝুঁকি। নারী গোয়েন্দাদের রোমাঞ্চ জাগানো কর্মকাণ্ড

যে কোনো দেশের গোপন তথ্যগুলো বিশেষ নিরাপত্তা সংস্থার হাতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তার চাদরে মোড়ানো থাকে। পূর্বানুমতি ছাড়া টপসিক্রেট তথ্যগুলো দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্য ও অফিসার ছাড়া অন্য কারও কাছে প্রকাশ করা হয় না। এ ধরনের গোপনীয় তথ্য বিশেষ গুরুত্ব পায় গোয়েন্দাদের কাছে। তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার অন্যতম প্রধান উপায় হলো নিজ দেশের গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের আসল পরিচয় গোপন করে তথ্য সংগ্রহে নামানো। নারী গোয়েন্দাদেরও মূল কাজটি এর থেকে একটু ব্যতিক্রম নয়। সব সন্দেহের ঊর্ধ্বে রাখার প্রয়াস হিসেবেই নারী গোয়েন্দাদের বিশেষ সফলতা রয়েছে। নারী গোয়েন্দারা গোপনীয় তথ্য সংগ্রহের জন্য বিভিন্ন ছদ্মবেশ নিতে দক্ষ। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই তারা আসল পরিচয় লুকাতে অন্য একটি কাজ জোগাড় করে তথ্য হাসিলের পথে হাঁটেন। দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনো সূত্র থেকে গোপনীয় তথ্য পাওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি সে পথেই হাঁটেন তারা।

এসব ব্যাপারে তাদের বিশেষ অনুশীলনী রয়েছে। নারী গোয়েন্দাদের পাতা ফাঁদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলার কথা থেকে শুরু করে বিয়ে করার মতো ঘটনাও ইতিহাসে রয়েছে। নারী গোয়েন্দারা টার্গেট খুঁজে পাওয়ার পর তার সঙ্গে স্বাভাবিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন।

প্রেম না জমাতে পারলে কাজের সূত্র ধরে বন্ধুত্ব ও যোগাযোগ করেন তারা। তবে কোনো নির্দিষ্ট সংস্থার হয়ে গোয়েন্দাগিরিতে এসেছে এমন সংখ্যা বেশি হলেও ব্যক্তিগত কারও ওপর ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকেও নারী গোয়েন্দা হিসেবে নাম লিখিয়েছেন এমন উদাহরণও রয়েছে। নারী গোয়েন্দাদের ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞরা বলে থাকেন, তাদের প্রধান অস্ত্র রূপ-সৌন্দর্য এবং তারা সহজেই যে কারও সন্দেহের বাইরে থাকতে পারে। বাস্তবতায় আবেগ ফুটিয়ে তুলতেও তারা বিশেষভাবে দক্ষতার পরিচয় দেন। একজন সেরা নারী গোয়েন্দার এসব গুণাবলি ছাড়াও খালি হাতে মারামারি ও বন্দুক চালনায় বিশেষভাবে দক্ষতার পরিচয় পাওয়া যায়। নারী গোয়েন্দারা টপসিক্রেট তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি চলমান পদক্ষেপ নিয়ে কর্তৃপক্ষ কী ভাবছে বা কী করতে যাচ্ছে এমন সম্ভাবনার খবরগুলোও পাচার করে থাকেন। সাধারণভাবে এরা সরাসরি নিজে তথ্য পাচার করেন না। বিভিন্ন সূত্র ধরে এরা খবর গোপনে সরিয়ে ফেলেন।

পরিচয় লুকানো ও ছদ্মবেশ ধরার জন্য এলিট শ্রেণির নারী গোয়েন্দা প্রয়োজনে বছরের পর বছর নিজ পরিবার, দেশ ও কর্মক্ষেত্র থেকে দূরে সরে থাকেন। বিভিন্ন বড় বড় মিশনে নারী গোয়েন্দাদের সম্পৃক্ত করা হয় বলে ধারণা করা হয়ে থাকে। বিচ্ছিন্নভাবে ও বিচ্ছিন্ন জায়গা থেকে এরা একযোগে কাজ করেন। নারী গোয়েন্দারা শুধু যে শত্রুপক্ষের গোপন তথ্য হাতিয়ে নেন তা নয়, শত্রুপক্ষের কাছে ভুল তথ্য ছড়িয়ে দিতেও তাদের জুড়ি নেই। প্রায়শই সূত্র হিসেবে এই নারী গোয়েন্দারা ভুল তথ্য সরবরাহ করে শত্রুপক্ষকে বিভ্রান্ত করে থাকেন। নারী গোয়েন্দাদের আসল পরিচয় কখনই জনসম্মুখে আসে না। তারা কোথায় থাকেন, কি করেন বা তার পরিবার সম্পর্কে সর্বোচ্চ গোপনীয়তা সংরক্ষণ করা হয়। বিভিন্ন দেশের নারী গোয়েন্দারা একেকজন গোয়েন্দা সংস্থার ‘সিক্রেট এজেন্ট’ হিসেবে গুরুত্ব লাভ করায় তাদের নিরাপত্তার ব্যাপারে বিন্দু পরিমাণে ছাড় দেয় না বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনীগুলো। পৃথিবীর ইতিহাসের গতিপথ পাল্টে দিয়েছেন এমন অনেক নারী গোয়েন্দাও রয়েছেন।

 বরিশাল ক্রাইম নিউজ ডট কম

দুর্ধর্ষ নারী গোয়েন্দার মারাত্মক অভিযান

রবিবার, মার্চ ১১, ২০১৮ ৩:১৩ অপরাহ্ণ

দুর্ধর্ষ নারী গোয়েন্দাদের মারাত্মক সব অভিযানের কথা অজানা নেই কারও। আসল পরিচয় গোপন করে তথ্য সংগ্রহের এই কাজ তাদের নেশা ও পেশা দুটোই। প্রতি পদে পদে রয়েছে জীবননাশের ঝুঁকি। নারী গোয়েন্দাদের রোমাঞ্চ জাগানো কর্মকাণ্ড

যে কোনো দেশের গোপন তথ্যগুলো বিশেষ নিরাপত্তা সংস্থার হাতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তার চাদরে মোড়ানো থাকে। পূর্বানুমতি ছাড়া টপসিক্রেট তথ্যগুলো দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্য ও অফিসার ছাড়া অন্য কারও কাছে প্রকাশ করা হয় না। এ ধরনের গোপনীয় তথ্য বিশেষ গুরুত্ব পায় গোয়েন্দাদের কাছে। তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার অন্যতম প্রধান উপায় হলো নিজ দেশের গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের আসল পরিচয় গোপন করে তথ্য সংগ্রহে নামানো। নারী গোয়েন্দাদেরও মূল কাজটি এর থেকে একটু ব্যতিক্রম নয়। সব সন্দেহের ঊর্ধ্বে রাখার প্রয়াস হিসেবেই নারী গোয়েন্দাদের বিশেষ সফলতা রয়েছে। নারী গোয়েন্দারা গোপনীয় তথ্য সংগ্রহের জন্য বিভিন্ন ছদ্মবেশ নিতে দক্ষ। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই তারা আসল পরিচয় লুকাতে অন্য একটি কাজ জোগাড় করে তথ্য হাসিলের পথে হাঁটেন। দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনো সূত্র থেকে গোপনীয় তথ্য পাওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি সে পথেই হাঁটেন তারা।

এসব ব্যাপারে তাদের বিশেষ অনুশীলনী রয়েছে। নারী গোয়েন্দাদের পাতা ফাঁদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলার কথা থেকে শুরু করে বিয়ে করার মতো ঘটনাও ইতিহাসে রয়েছে। নারী গোয়েন্দারা টার্গেট খুঁজে পাওয়ার পর তার সঙ্গে স্বাভাবিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন।

প্রেম না জমাতে পারলে কাজের সূত্র ধরে বন্ধুত্ব ও যোগাযোগ করেন তারা। তবে কোনো নির্দিষ্ট সংস্থার হয়ে গোয়েন্দাগিরিতে এসেছে এমন সংখ্যা বেশি হলেও ব্যক্তিগত কারও ওপর ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকেও নারী গোয়েন্দা হিসেবে নাম লিখিয়েছেন এমন উদাহরণও রয়েছে। নারী গোয়েন্দাদের ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞরা বলে থাকেন, তাদের প্রধান অস্ত্র রূপ-সৌন্দর্য এবং তারা সহজেই যে কারও সন্দেহের বাইরে থাকতে পারে। বাস্তবতায় আবেগ ফুটিয়ে তুলতেও তারা বিশেষভাবে দক্ষতার পরিচয় দেন। একজন সেরা নারী গোয়েন্দার এসব গুণাবলি ছাড়াও খালি হাতে মারামারি ও বন্দুক চালনায় বিশেষভাবে দক্ষতার পরিচয় পাওয়া যায়। নারী গোয়েন্দারা টপসিক্রেট তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি চলমান পদক্ষেপ নিয়ে কর্তৃপক্ষ কী ভাবছে বা কী করতে যাচ্ছে এমন সম্ভাবনার খবরগুলোও পাচার করে থাকেন। সাধারণভাবে এরা সরাসরি নিজে তথ্য পাচার করেন না। বিভিন্ন সূত্র ধরে এরা খবর গোপনে সরিয়ে ফেলেন।

পরিচয় লুকানো ও ছদ্মবেশ ধরার জন্য এলিট শ্রেণির নারী গোয়েন্দা প্রয়োজনে বছরের পর বছর নিজ পরিবার, দেশ ও কর্মক্ষেত্র থেকে দূরে সরে থাকেন। বিভিন্ন বড় বড় মিশনে নারী গোয়েন্দাদের সম্পৃক্ত করা হয় বলে ধারণা করা হয়ে থাকে। বিচ্ছিন্নভাবে ও বিচ্ছিন্ন জায়গা থেকে এরা একযোগে কাজ করেন। নারী গোয়েন্দারা শুধু যে শত্রুপক্ষের গোপন তথ্য হাতিয়ে নেন তা নয়, শত্রুপক্ষের কাছে ভুল তথ্য ছড়িয়ে দিতেও তাদের জুড়ি নেই। প্রায়শই সূত্র হিসেবে এই নারী গোয়েন্দারা ভুল তথ্য সরবরাহ করে শত্রুপক্ষকে বিভ্রান্ত করে থাকেন। নারী গোয়েন্দাদের আসল পরিচয় কখনই জনসম্মুখে আসে না। তারা কোথায় থাকেন, কি করেন বা তার পরিবার সম্পর্কে সর্বোচ্চ গোপনীয়তা সংরক্ষণ করা হয়। বিভিন্ন দেশের নারী গোয়েন্দারা একেকজন গোয়েন্দা সংস্থার ‘সিক্রেট এজেন্ট’ হিসেবে গুরুত্ব লাভ করায় তাদের নিরাপত্তার ব্যাপারে বিন্দু পরিমাণে ছাড় দেয় না বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনীগুলো। পৃথিবীর ইতিহাসের গতিপথ পাল্টে দিয়েছেন এমন অনেক নারী গোয়েন্দাও রয়েছেন।

সম্পাদক ও প্রকাশক : খন্দকার রাকিব ।
ফকির বাড়ি, ৫৫৪৫৪ বরিশাল।
মোবাইল: ০১৭২২৩৩৬০২১
ইমেইল : rakibulbsl@gmail.com, barisalcrimenews@gmail.com