বরিশাল ক্রাইম নিউজ ডট কম – বরিশাল সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান রেহানা বেগমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ কর্মকর্তারা
, , , রাত ১০:৮

প্রকাশিতঃ এপ্রিল ১৮, ২০১৮ ২:৩২ পূর্বাহ্ণ
A- A A+ Print

বরিশাল সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান রেহানা বেগমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ কর্মকর্তারা

স্টাফ রিপোর্টার ॥ রাজনৈতিক পরিচয়কে পুঁজি করে সরকারের দুটি দফতর থেকে সুবিধা গ্রহণ করার পরও অভিযুক্ত স্কুল শিক্ষিকা ও সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান রেহানা বেগমের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিতে পারছে না শিক্ষা কর্মকর্তারা। অসহায়ত্ব প্রকাশ করেছে দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা।

 

জানতে চাওয়া হলে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাসরিন জোবাইদা আক্তার জানান, যদি প্রভাব খাটিয়ে কেউ অনৈতিক সুবিধা ভোগ করে থাকে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি। এখানে আমার কোন হাত নেই। ওই কর্মকর্তা জানান, আমার কাজ হল সমন্বয়কের কাজ করা। তবে যদি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কোন অভিযোগ জানান তাহলে আমি বিষয়টি তদন্ত স্বাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নিতে পারি। নাসরিন জোবাইদা আক্তার বলেন, বেতনের বিষযটি দেখেন মূলত বিদ্যালয়ের সভাপতি। তিনি যদি অনৈতিক সুবিধা লাভের জন্য কোন শিক্ষকের পক্ষে সুপারিশ করেন তাহলে সেটার বিষয়ে আপত্তি তোলার এখতিয়ার আমার নেই।

 

ওদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হুমায়ুন কবীর উপজলা ভাইস চেয়ারম্যানের প্রসঙ্গে আর কোন কথা বলতে রাজি হননি। প্রসঙ্গত সরকারের দুটি দফতর থেকে সুবিধা ভোগ, নিয়মিত স্কুলে উপস্থিত না হওয়া, আর স্কুলে উপস্থিত হলেও ক্লাশ না করে খোশগল্প করে সময় পার করে দীর্ঘ দশ বছর ধরে বেতন ও সম্মানিভাতা একযোগে তুলছেন ভাইস চেয়ারম্যান রেহানা বেগম। কেউ জানতে চাইলে তিনি নিজেকে সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ’র লোক বলে পার পেয়ে যান। এর নেপথ্যের কারণ হল, কাগাশুরা বিদ্যালয়ের ম্যানেজিঙ কমিটির সভাপতি সাদিক আব্দুল্লাহ।

 

সূত্রমতে, ২০০৯ সালের নির্বাচনে সদর উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করে নির্বাচিত হয়েছিলেন সদর উপজেলার চরবাড়িয়া ইউনিয়নের স্কুল শিক্ষিকা রেহেনা বেগম। নির্বাচনের পর থেকেই তিনি রাজনৈতিক কর্মসূচি ছাড়া কোথাও সম্পৃক্ত না হলেও সরকারী দুটি দফতর থেকে গ্রহণ করছেন সুযোগ সবিধা। যদিও বিধান রয়েছে, একজন ব্যক্তি সরকারি দুটি দফতর থেকে একযোগে সুযোগ-সুবিধা বা বেতন ভাতা গ্রহণ করতে পারবেন না।

 

স্কুলের হাজিরা খাতায় দেখা গেছে, প্রত্যেকদিনই বিদ্যালয়ে উপস্থিতির স্বাক্ষর করা রেহানা বেগমের। স্কুলের শিক্ষার্থীদের সাথে আলাপ করে জানা গেছে, অনেক শিক্ষার্থী তাকে ওই স্কুলের শিক্ষক কিনা সেটাই জানেন না। জানা গেছে, মাসে হাতে গোনা কয়েকদিন স্কুলে এসে একসাথে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেন এই স্কুল শিক্ষিকা।

 বরিশাল ক্রাইম নিউজ ডট কম

বরিশাল সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান রেহানা বেগমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ কর্মকর্তারা

বুধবার, এপ্রিল ১৮, ২০১৮ ২:৩২ পূর্বাহ্ণ

স্টাফ রিপোর্টার ॥ রাজনৈতিক পরিচয়কে পুঁজি করে সরকারের দুটি দফতর থেকে সুবিধা গ্রহণ করার পরও অভিযুক্ত স্কুল শিক্ষিকা ও সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান রেহানা বেগমের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিতে পারছে না শিক্ষা কর্মকর্তারা। অসহায়ত্ব প্রকাশ করেছে দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা।

 

জানতে চাওয়া হলে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাসরিন জোবাইদা আক্তার জানান, যদি প্রভাব খাটিয়ে কেউ অনৈতিক সুবিধা ভোগ করে থাকে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি। এখানে আমার কোন হাত নেই। ওই কর্মকর্তা জানান, আমার কাজ হল সমন্বয়কের কাজ করা। তবে যদি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কোন অভিযোগ জানান তাহলে আমি বিষয়টি তদন্ত স্বাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নিতে পারি। নাসরিন জোবাইদা আক্তার বলেন, বেতনের বিষযটি দেখেন মূলত বিদ্যালয়ের সভাপতি। তিনি যদি অনৈতিক সুবিধা লাভের জন্য কোন শিক্ষকের পক্ষে সুপারিশ করেন তাহলে সেটার বিষয়ে আপত্তি তোলার এখতিয়ার আমার নেই।

 

ওদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হুমায়ুন কবীর উপজলা ভাইস চেয়ারম্যানের প্রসঙ্গে আর কোন কথা বলতে রাজি হননি। প্রসঙ্গত সরকারের দুটি দফতর থেকে সুবিধা ভোগ, নিয়মিত স্কুলে উপস্থিত না হওয়া, আর স্কুলে উপস্থিত হলেও ক্লাশ না করে খোশগল্প করে সময় পার করে দীর্ঘ দশ বছর ধরে বেতন ও সম্মানিভাতা একযোগে তুলছেন ভাইস চেয়ারম্যান রেহানা বেগম। কেউ জানতে চাইলে তিনি নিজেকে সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ’র লোক বলে পার পেয়ে যান। এর নেপথ্যের কারণ হল, কাগাশুরা বিদ্যালয়ের ম্যানেজিঙ কমিটির সভাপতি সাদিক আব্দুল্লাহ।

 

সূত্রমতে, ২০০৯ সালের নির্বাচনে সদর উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করে নির্বাচিত হয়েছিলেন সদর উপজেলার চরবাড়িয়া ইউনিয়নের স্কুল শিক্ষিকা রেহেনা বেগম। নির্বাচনের পর থেকেই তিনি রাজনৈতিক কর্মসূচি ছাড়া কোথাও সম্পৃক্ত না হলেও সরকারী দুটি দফতর থেকে গ্রহণ করছেন সুযোগ সবিধা। যদিও বিধান রয়েছে, একজন ব্যক্তি সরকারি দুটি দফতর থেকে একযোগে সুযোগ-সুবিধা বা বেতন ভাতা গ্রহণ করতে পারবেন না।

 

স্কুলের হাজিরা খাতায় দেখা গেছে, প্রত্যেকদিনই বিদ্যালয়ে উপস্থিতির স্বাক্ষর করা রেহানা বেগমের। স্কুলের শিক্ষার্থীদের সাথে আলাপ করে জানা গেছে, অনেক শিক্ষার্থী তাকে ওই স্কুলের শিক্ষক কিনা সেটাই জানেন না। জানা গেছে, মাসে হাতে গোনা কয়েকদিন স্কুলে এসে একসাথে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেন এই স্কুল শিক্ষিকা।

সম্পাদক ও প্রকাশক : খন্দকার রাকিব ।
ফকির বাড়ি, ৫৫৪৫৪ বরিশাল।
মোবাইল: ০১৭২২৩৩৬০২১
ইমেইল : [email protected], [email protected]